1. admin@hvoice24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

‘জিয়া’ নামে বই কিনে যুবদল নেতা রুবেল চৌধুরী’র মুগ্ধতা প্রকাশ 

প্রেস
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ১২১৯ বার পঠিত

ঢাকা বইমেলা ইতি প্রকাশন থেকে মেজর “জিয়াউর রহমান” নামে বইটি ক্রয় করে মুগ্ধতা প্রকাশ করলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জেলা যুবদলের ১ম যুগ্ম আহবায়ক রুবেল আহমেদ চৌধুরী। তিনি মেজর জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে জানার জন্য তাদের নামের বইগুলো কেনার জন্য সবাই-কে আহবান জানিয়েছেন।

রুবেল আহমেদ চৌধুরী মেজর জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ তুলে ধরে লিখেছেন-শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের প্রাণপুরুষ। আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি। তার ছিল সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি। তিনি ছিলেন ভিশনারি, এক স্বপ্নদ্রষ্টা। তিনিই জাতিকে একটি সত্যিকার গণতন্ত্রের শক্তভিত্তির ওপরে দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন। আনতে চেয়েছিলেন অর্থনৈতিক মুক্তি। দিতে চেয়েছিলেন জাতিকে সম্মান আর গৌরব।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। নানা কারণে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার সততা, নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম, পরিশ্রমপ্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রভৃতি গুণাবলী এ দেশের গণমানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছিল। তিনি ছিলেন একজন পেশাদার সৈনিক। তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের কাছে তার যে গ্রহণযোগ্যতা ছিল অন্য কোনো রাষ্ট্রনায়কের ভাগ্যে তা জোটেনি।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার জন্য উন্মুখ জনগণ যখন চরম ভীতি ও হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিল তেমন এক কঠিন সময়ে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। জিয়াউর রহমান ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও আশান্বিত করে তুলেছিলেন। তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি। একইসাথে রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধের নেতৃত্বও দিয়েছেন। অবশেষে দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছিলাম স্বাধীনতা। পেয়েছিলাম স্বাধীন বাংলাদেশ।

শহীদ জিয়ার সবচেয়ে বড় সৃষ্টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের রাজনীতি, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) গঠন করা। তিনি বিশ্বাস করতেন এবং বলতেন, ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ’। দেশপ্রেম সবার ঊর্ধ্বে, তার হৃদয়ে সারাক্ষণ বাজত সেই সুর ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ।’ স্বাধীনতা ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ শাহাদত বরণ পর্যন্ত মাত্র ১০ বছর তাঁর কর্মময় জীবনে উৎপাদন, উন্নয়নে জাদুর পরশ লেগে আছে।

জিয়াউর রহমান জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ে একটি বড় রকমের ঝাঁকুনি দিয়ে গেছেন। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, নারী, শিশু সবকিছুতেই একটা বিপ্লব ঘটিয়ে গেছেন। গোটা জাতিকে তিনি ’৭১’র মতো একতাবদ্ধ করতে পেরেছিলেন। একটি দৃঢ় জাতীয় সংহতি সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন। পরিচয়-সংকটে আক্রান্ত হীনম্মন্যতায় ভোগা জাতিকে তার সত্যিকারের পরিচয় এবং তার আপন স্বাধীন স্বকীয়তার পরিচিতি তিনি উন্মোচন করতে পেরেছিলেন। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সংমিশ্রণে হাজার বছরের যে রসায়ন, তারই আবিষ্কার তিনি করেছিলেন। নাম দিয়েছিলেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।

বেগম খালেদা জিয়া-শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জতীয়তাবাদী দল’ তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, সততা, দেশপ্রেম এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচী তথা ১৯ দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে খুব সহজেই সর্ব সাধারণের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনকে জনভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

বেগম জিয়া ঐক্যের প্রতীক। অন্যায়, অনিয়ম, অবিচারের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদী কষ্ঠস্বর। স্বৈরাচার ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে আপোসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। খালেদা জিয়া মানেই অন্যায়-অবিচার ও অগণতান্ত্রিক অপশক্তির কাছে নতি স্বীকার না করা। দেশের জনগণ খালেদা জিয়াকে তাদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছে আপোসহীন নেত্রী হিসেবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তিনি আজও জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

খালেদা জিয়া সময়ের আবর্তনে একটি নাম – তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সংগ্রামেরউজ্জ্বল মুখ। মিছিলের পুরোভাগে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এক উন্নত শির, বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর এবং আপোসহীন নেত্রী।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে আজ পযর্ন্ত বেগম জিয়া ত্যাগের মহিমায় তাঁর জীবন মহিমান্বীত। তিনি বাংলাদেশ তথা তৃতীয় বিশ্বে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের আন্দোলনে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ভাষায় “বাংলাদেশ ভাল থাকলে, আমি ভাল থাকি”। “এ দেশের বাহিরে আমার কোন ঠিকানা নেই, এ দেশই আমার ঠিকানা”।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা