1. admin@hvoice24.com : admin :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মডেল প্রেসক্লাবে ‘দৈনিক যুগান্তর পএিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় কাটার দায়ে মামলা ও জরিমানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’র বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত রাস্তা ছাড়াই নদীর মাঝে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট,বৃষ্টি হলেই দূর্ঘটনা সীতাকুণ্ডে স্বপ্নীল যুব কল্যাণ সোসাইটি যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন বিথঙ্গলে একতা যুব সংগঠনের ৩য় বার্ষিক সুন্নী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত নবম বর্ষ পেরিয়ে দশম বর্ষে পদার্পণ দৈনিক হবিগঞ্জের জননী ডাঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধার ফুল শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় হবিগঞ্জে জেলা পুলিশের উদ্যোগে দোয়া” বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

তিন বোন একসঙ্গে এসএসসি পাস-হবিগঞ্জ ভয়েস২৪

ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩
  • ১৭৮ বার পঠিত

টাঙ্গাইল জেলার সখীপুরে একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া তিন বোন পাস করেছে। সবার বড় বোন সুমাইয়া ইসলাম জিপিএ-৪.০০, মেজ বোন সাদিয়া ইসলাম জিপিএ-৪.৫৬ ও ছোট বোন রাদিয়া ইসলাম জিপিএ-৩.৯৮ পেয়েছে।

তারা সখীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।

শুক্রবার এসএসসি পরীক্ষার ফল বের হলে প্রধান শিক্ষক তাদের ফলাফলের এ তথ্য জানান। ওই তিন বোন সখীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বজু ফকিরের চালা এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। ফলাফল পেয়ে দারুণ খুশি বলে জানায় তারা।
শুধু ছোট বোন রাদিয়ার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি বলে একটু মন খারাপ। ওরা জানান, তারা একই কলেজে ভর্তি হবে। ছোটবেলা থেকে তারা একসঙ্গে একই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে। টুকটাক ঝগড়া হলেও তারা তিনজন সব সময় মিলেমিশেই থাকে।

শিক্ষার্থীদের বাবা শফিকুল ইসলাম ১৯৮৯ সালে জীবিকার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যান। তিনি জানান, বিগত ২০০০ সালে দেশে এসে বিয়ে করেন। এরপর ২০০৩ সালে স্ত্রী রেখা আক্তারকে সৌদি আরবে নিয়ে যান। সেখানকার একটি হাসপাতালে ২০০৫ সালের জুলাই মাসে বড় মেয়ে সুমাইয়ার জন্ম হয়। এর ১৪ মাস পর ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে মেজ মেয়ে সাদিয়ার এবং ২০০৭ সালের শেষের দিকে ছোট মেয়ের রাদিয়ার জন্ম হয়। ২০১৮ সালের দেশে ফেরার পর তিনি আর সৌদি আরব যাননি।

তিনি আরও বলেন, তিন মেয়েই আমার রত্ন। ওদের ফলাফলে আমি সন্তুষ্ট। সর্বোচ্চ পর্যায়ে তাদের পড়াশোনা করাব। ওরা পড়াশোনা শেষ করে যেন দেশের সেবায় নিয়োজিত হতে পারে, দেশবাসীর কাছে এই দোয়া চাই।

ওই তিন শিক্ষার্থীর মা রেখা আক্তার জানান, বিগত ২০১১ সালে তিন মেয়েসহ তাকে দেশে রেখে যান স্বামী। বয়সের সামান্য পার্থক্য থাকলেও ওই বছর তিন মেয়েকে সখীপুরের একটি কিন্ডারগার্টেনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করান। এরপর থেকে একই ক্লাসে পড়ছে তারা।

সখীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাইয়ুম হোসাইন জানান, ওই তিন বোন পাস করায় আমরা শিক্ষকেরাও খুব খুশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা