1. admin@hvoice24.com : admin :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মডেল প্রেসক্লাবে ‘দৈনিক যুগান্তর পএিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় কাটার দায়ে মামলা ও জরিমানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’র বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত রাস্তা ছাড়াই নদীর মাঝে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট,বৃষ্টি হলেই দূর্ঘটনা সীতাকুণ্ডে স্বপ্নীল যুব কল্যাণ সোসাইটি যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন বিথঙ্গলে একতা যুব সংগঠনের ৩য় বার্ষিক সুন্নী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত নবম বর্ষ পেরিয়ে দশম বর্ষে পদার্পণ দৈনিক হবিগঞ্জের জননী ডাঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধার ফুল শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় হবিগঞ্জে জেলা পুলিশের উদ্যোগে দোয়া” বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

নতুন রুপে ঐতিহাসিক নিদর্শন বিথঙ্গল আখড়া

প্রেস
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৮৮৬ বার পঠিত

বিথঙ্গলে অবস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ আখড়াটির জরাজীর্ণ ভবনগুলো সংষ্কার করায় নতুন রুপ ধারণ করেছে।

আখড়ার প্রাচীন বিল্ডিংয়ের কারুকার্যগুলোও বেশ আকর্ষণীয় হওয়ায় ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক মনোরম দৃশ্য আকৃষ্ট হচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ও হবিগঞ্জ সদর হতে প্রায় ৮কিলো পশ্চিমে বিথঙ্গল গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন এ আখড়া বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান।

সরজমিনে দেখা যায়, ভবনগুলো সংষ্কার করায় নতুন এক সাজসজ্জায় পরিণত হয়েছে। প্রাচীনতম এ আখড়ায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিদিন শতশত নারী-পুরুষ ও বাচ্চারা এখানে আসা যাওয়া করে। এখান থেকে নানান রোগের সেবাও নিয়ে থাকেন তারা। বিথঙ্গল আখড়ার বর্তমান পরিচালক হলেন সুকুমার দাস মন্ত গোস্বামী।

জানান,প্রায় ৫’শ বছরের পুরোনো এ আখড়া শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ গোস্বামী ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠা করেন।রামকৃষ্ণ গোস্বামী হবিগঞ্জের রিচি পরগনার অধিবাসী ছিলেন। তিনি বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিথঙ্গলে এসে এই আখড়া প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলা ১০৫৯ সনে রামকৃষ্ণ মারা যান। পরে আখড়ায় রামকৃষ্ণ গোস্বামীর সমাধিস্থলের উপর একটি মঠ প্রতিষ্ঠিত হয়। মঠের সামনে একটি নাট মন্দির এবং পূর্ব পাশে একটি ভাণ্ডার ঘর এবং দক্ষিণে একটি ভোগ মন্দির রয়েছে। আখড়ায় দর্শনীয় বস্তুর মধ্যে রয়েছে ২৫ মণ ওজনের চৌকি, পিতলের সিংহাসন, রথ,এছাড়া আরো কয়েকটি পুরাতন ইমারতসহ রয়েছে দুটি বিশাল পুকুর।

বিশাল এই আখড়ায় মোট ১২০টি কক্ষ রয়েছে। আগে কক্ষগুলোতে ১২০ জন বৈষ্ণব থাকতেন; তবে বর্তমানে বৈষ্ণব রয়েছেন মাত্র কয়েকজন।

পর্যটকেরা প্রাচীনতম এ স্থাপনাটিতে ঘুরে বেড়ায় এবং বিশাল পুকুরে সাঁতার কেটে সময় পার করেন।

হবিগঞ্জ সদর হতে পশ্চিমে আগুয়া গ্রাম পর্যন্ত ইতিমধ্যে রাস্তা হওয়ায় মাত্র ৪কিলোমিটার মোটরযান,সিএনজি অটোরিকশা ও পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়। এদিকে বানিয়াচং হয়ে গাড়ি দিয়ে ও সরাসরি যাওয়া যায়।

ঐতিহাসিক এ আখড়াটি দেখতে বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে।”পর্যটকদের সুবিধার জন্য এখানে নানান ব্যবস্থাও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা