1. admin@hvoice24.com : admin :
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হবিগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ৩০ মোটরসাইকেল আটক বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত মাধবপুরে পাবেল হত্যা মামলার আরও ১৬ আসামি গ্রেফতার সীতাকুণ্ডে ৫ম বারের মতো পরিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ফ্রি বাস সার্ভিস দিলো এমএফজেএফ জনগণের ভোটের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে ‘জিয়া’ নামে বই কিনে যুবদল নেতা রুবেল চৌধুরী’র মুগ্ধতা প্রকাশ  ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ আজ,গর্জে উঠেছিল ছাত্রসমাজ বানিয়াচং উপজেলা ইউনিয়ন ও দর্শনীয় স্থান-হবিগঞ্জ ভয়েস২৪ “স্বামীর দেশ ভারত থেকে মাদক আসছে” মন্তব্য করায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার সীতাকুণ্ডে হযরত পন্হিশাহ (রঃ) কমপ্লেক্সের পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন

নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ বাংলাদেশে অসুস্থ গণতন্ত্রে একপক্ষীয় নির্বাচন

হবিগঞ্জ ভয়েস ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৬১ বার পঠিত

রোববার নির্বাচনে টানা চতুর্থ বারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসবেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু দেশে কী গণতন্ত্র থাকবে- সেটাই বড় প্রশ্ন।

প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে চূর্ণবিচূর্ণ করা হয়েছে। তাদের গতিশীল হওয়ার সক্ষমতা নেই বললেই চলে। এই দলটির যেসব নেতা জেলের বাইরে আছেন তারা আদালতে অফুরন্ত হাজিরায় জর্জরিত অথবা যারা পালিয়ে আছেন তাদের পিছু নিয়েছে পুলিশ। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ একপক্ষীয় প্রতিযোগিতার পথ পরিষ্কার করেছে। যেখানে দলটি নির্বাচনে নিজেদেরই ডামি প্রার্থী দেয়ার আহ্বান জানায়, যাতে মনে হয় নির্বাচন চ্যালেঞ্জবিহীন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে বিএনপি, যাতে নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য একটি নির্দলীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়, নির্বাচন তদারকির জন্য। কিন্তু তাদের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন শেখ হাসিনা। ফলে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করেছে।
এমনকি বাংলাদেশ যখন দৃশ্যত সমৃদ্ধির পথ খুঁজে পেয়েছে, অভ্যুত্থান ও হত্যকাণ্ডের একটি যুগ অতিক্রম করেছে, তখন প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন এই নির্বাচন এটাই দেখিয়ে দেয় যে- ১৭ কোটি মানুষের এই দেশটি কয়েক দশক ধরে প্রধান দুটি দলের মধ্যে পুরনো বিবাদের মধ্যে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

সহিংসতার আশঙ্কা বাতাসে ভাসছে। বিরোধীরা ভোটের বিরোধিতা করছে।

বিরোধী দল সাজিয়েছে। তাদের অনেকে নির্বাচনী পোস্টারে এটা পরিষ্কার করেছেন তাদের অবস্থান কি: ‘আওয়ামী লীগ সমর্থিত’।
বিএনপির নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গৃহবন্দি। তার ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে নির্বাসনে। দলটির বেশির ভাগ নেতা জেলে। এ অবস্থায় রোববারের ভোটকে সামনে রেখে দলটির দৃশ্যমানতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলন করে যাচ্ছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির হাতেগোণা যে কয়েকজন নেতাকে জেলে নেয়া হয়নি, তিনি তাদের অন্যতম। রিজভীর নিজের বিরুদ্ধে ১৮০টি মামলা আছে আদালতে। এক সময় তিনি দলীয় কার্যালয়ে নিজেকে আবদ্ধ রেখেছেন। ঘুমিয়েছেন এক কোণায় ছোট্ট একটি বিছানায়। সেখান থেকে বেরিয়ে এলেই তিনি গ্রেপ্তারের ঝুঁকিতে। ১৯৮০র দশকে সাবেক সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভকালে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এ কারণে একটি বেতের লাঠির ওপর ভর দিয়ে তাকে হাঁটতে হয়। বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই নির্বাচন বর্জন করেছি আমরা এবং সমমনা দলগুলো। এ সময় তিনি শনিবার নতুন করে হরতালের ঘোষণা দেন। তিনি আরও বলেন, এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এবং জনগণ এরই মধ্যে বুঝে গেছে যে, এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের একটি মহড়া। এটা একপক্ষীয় নির্বাচন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনে থাকলে নির্বাচন আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা