1. admin@hvoice24.com : admin :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মডেল প্রেসক্লাবে ‘দৈনিক যুগান্তর পএিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় কাটার দায়ে মামলা ও জরিমানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বানিয়াচং ইসলামি নাগরিক ফোরাম’র বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত রাস্তা ছাড়াই নদীর মাঝে দাঁড়িয়ে আছে কালভার্ট,বৃষ্টি হলেই দূর্ঘটনা সীতাকুণ্ডে স্বপ্নীল যুব কল্যাণ সোসাইটি যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন বিথঙ্গলে একতা যুব সংগঠনের ৩য় বার্ষিক সুন্নী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত নবম বর্ষ পেরিয়ে দশম বর্ষে পদার্পণ দৈনিক হবিগঞ্জের জননী ডাঃ মহিউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধার ফুল শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় হবিগঞ্জে জেলা পুলিশের উদ্যোগে দোয়া” বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

মাস্টার্সের ভর্তি পরীক্ষায় একসঙ্গে মা-ছেলে-হবিগঞ্জ ভয়েস২৪

ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩
  • ২২৪ বার পঠিত

ছেলে আলিফের জন্মের সময় মা আইরিন পড়তেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রথম বর্ষে। ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা আর বাচ্চার জন্মের প্রস্তুতি চলছিল তার সমান তালেই। পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুইদিন পরই প্রথম সন্তানের মুখ দেখেন আইরিন। ২৭ বছর পর একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেলের গ্র্যাজুয়েশন শেষে এবার মা-ছেলে একসঙ্গে বসেছেন মাস্টার্সের ভর্তি পরীক্ষায়।

মায়ের এই সাহসী পথচলার গল্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে পোস্ট করেছেন ছেলে মো. মুকসেতুল ইসলাম আলিফ। সেই পোস্টে তাদের শুভকামনা জানাচ্ছেন অসংখ্য ফেসবুক ব্যবহারকারী। যেখানে সন্তানের কথা ভেবে দেশের অসংখ্য মায়েদের প্রতিনিয়ত নিজের ক্যারিয়ারের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হচ্ছে, সেখানে সন্তান আর মায়ের একসঙ্গে স্বপ্ন পূরণের এই পথচলা দেখে অণুপ্রেরিত হচ্ছেন আরো অনেকেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৪-৯৫ সেশনের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্রী ছিলেন জুলিয়া আইরিন। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতেই বিয়ে হয়েছিল তার। ঢাবিতে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুদিন পরই গর্ভধারণ করেন তিনি। আইরিনের মাত্র বিশ বছর বয়স তখন।

তার ভাষ্যে, ‘ওইটুকু বয়সে যৌথ পরিবারে সংসার, বাচ্চা সামলে পড়ালেখা করাটা যথারীতি কঠিন ছিল আমার জন্য। তবু একবারের জন্যও থেমে থাকিনি।’

ছেলের দেখভাল করতে করতেই নিজের গ্র্যাজুয়েশন আর মাস্টার্স শেষ করেন। এর মাঝে জন্ম হয় আরেক সন্তানের। আইনজীবী শ্বশুরের সহায়তায় এলএলবি কোর্সও সম্পন্ন করেন তিনি। ১৭ বছর যাবত কাজ করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে।

বাচ্চাসহ পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের এই যাত্রায় পরিবার, আর বন্ধুদের সাপোর্ট সবচেয়ে বেশি সাহস জুগিয়েছে বলে জানান আইরিন। ‘আমি সবসময় ভেবেছি যেভাবেই হোক আমাকে পারতেই হবে। এখন যখন ওই বয়সের জার্নিটার কথা ভাবি নিজেরই খুব অবাক লাগে, সেই সাথে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার সাহসও পাই,’ বলেন তিনি।

আলিফ জানান, অনেক দিন যাবতই মায়ের স্বপ্ন ছিল আরেকটা মাস্টার্স করার। ঢাবির শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের প্রফেশনাল মাস্টার্সের বিজ্ঞপ্তি দেখে তাই একসঙ্গেই আবেদন করেন দুজন।

আইনজীবী হিসেবে তার মায়ের পেশায় এখানকার কোর্সগুলোও বেশ কাজে লাগবে মনে করেন তিনি। আলিফ বলেন, ‘মায়ের পরীক্ষাও বেশ ভালো হয়েছে। সপ্তাহ খানেকের ভেতর রেজাল্ট দেবে। আশা করছি দুজন একসাথেই আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারব।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা